ছবির ব্যাকগ্রাউন্ডে ইংরেজীতে হাইকমিশন অব ইন্ডিয়া লেখা

চেয়ারে যিনি বসে আছেন তাঁর চাইতে বয়সে বড় দুইজন ব্যক্তি তার পিছনে দাঁড়িয়ে আছেন। বয়সে ৫ বছরের বড় হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ যখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি তখন এই প্রণব মুখার্জী ভারতের সামান্য একজন অর্থমন্ত্রী ছিলেন। বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতও তার চাইতে বয়সে বড়। তাহলে কেনো এই কম্পোজিশন? এই কম্পোজিশনে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শেখ আদনান ফাহাদ নামে একজন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘প্রণব বাবুর কি দাঁড়াতে অসুবিধা? নাকি আমাদের নেতাদের কোনো সমস্যা? আমরা যে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, এটা কি তারা ভুলে গেছেন? ভারতীয় হাইকমিশন যেভাবে বাংলাদেশকে দেখাতে চেয়েছে, সেভাবেই পেরেছে। এটা আমাদের ব্যর্থতা, তাদের সাফল্য।’ বাংলাদেশের ক্ষমতার পটপরিবর্তনে প্রতিবেশি দেশ ভারতের নগ্ন হস্তক্ষেপ একটি ওপেন সিক্রেট ব্যাপার। বিশেষ করে পছন্দের একটি দলকে ক্ষমতায় রাখতে এমন কোনো কাজ নেই তারা করেনি। সম্প্রতি প্রণব মুখার্জীর লেখা আত্মজীবনীতে তিনি তার অনেক কিছুই প্রকাশ করেছেন। মঈন-ফখরুদ্দিন সরকারকে তিনিই বিদায় করেছিলেন উল্লেখ করে প্রণব লিখেছেন, “তৎকালীন ভারতের জাতীয় উপদেষ্টা এম কে নারায়ণের মাধ্যমে আমার হস্তক্ষেপে আমি সব রাজনৈতিক বন্দীকে মুক্তি এবং দেশটির স্থিতিশীল পরিস্থিতিতে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করেছিলাম।” কিন্তু অনেকেই প্রণবের এই স্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রত্যাবর্তনকে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন হিসেবেই দেখেন।চেয়ারে যিনি বসে আছেন তাঁর চাইতে বয়সে বড় দুইজন ব্যক্তি তার পিছনে দাঁড়িয়ে আছেন। বয়সে ৫ বছরের বড় হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ যখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি তখন এই প্রণব মুখার্জী ভারতের সামান্য একজন অর্থমন্ত্রী ছিলেন। বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতও তার চাইতে বয়সে বড়। তাহলে কেনো এই কম্পোজিশন? এই কম্পোজিশনে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শেখ আদনান ফাহাদ নামে একজন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘প্রণব বাবুর কি দাঁড়াতে অসুবিধা? নাকি আমাদের নেতাদের কোনো সমস্যা? আমরা যে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, এটা কি তারা ভুলে গেছেন? ভারতীয় হাইকমিশন যেভাবে বাংলাদেশকে দেখাতে চেয়েছে, সেভাবেই পেরেছে। এটা আমাদের ব্যর্থতা, তাদের সাফল্য।’ বাংলাদেশের ক্ষমতার পটপরিবর্তনে প্রতিবেশি দেশ ভারতের নগ্ন হস্তক্ষেপ একটি ওপেন সিক্রেট ব্যাপার। বিশেষ করে পছন্দের একটি দলকে ক্ষমতায় রাখতে এমন কোনো কাজ নেই তারা করেনি। সম্প্রতি প্রণব মুখার্জীর লেখা আত্মজীবনীতে তিনি তার অনেক কিছুই প্রকাশ করেছেন। মঈন-ফখরুদ্দিন সরকারকে তিনিই বিদায় করেছিলেন উল্লেখ করে প্রণব লিখেছেন, “তৎকালীন ভারতের জাতীয় উপদেষ্টা এম কে নারায়ণের মাধ্যমে আমার হস্তক্ষেপে আমি সব রাজনৈতিক বন্দীকে মুক্তি এবং দেশটির স্থিতিশীল পরিস্থিতিতে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করেছিলাম।” কিন্তু অনেকেই প্রণবের এই স্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রত্যাবর্তনকে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন হিসেবেই দেখেন।চেয়ারে যিনি বসে আছেন তাঁর চাইতে বয়সে বড় দুইজন ব্যক্তি তার পিছনে দাঁড়িয়ে আছেন। বয়সে ৫ বছরের বড় হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ যখন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি তখন এই প্রণব মুখার্জী ভারতের সামান্য একজন অর্থমন্ত্রী ছিলেন। বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতও তার চাইতে বয়সে বড়। তাহলে কেনো এই কম্পোজিশন? এই কম্পোজিশনে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শেখ আদনান ফাহাদ নামে একজন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘প্রণব বাবুর কি দাঁড়াতে অসুবিধা? নাকি আমাদের নেতাদের কোনো সমস্যা? আমরা যে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, এটা কি তারা ভুলে গেছেন? ভারতীয় হাইকমিশন যেভাবে বাংলাদেশকে দেখাতে চেয়েছে, সেভাবেই পেরেছে। এটা আমাদের ব্যর্থতা, তাদের সাফল্য।’ বাংলাদেশের ক্ষমতার পটপরিবর্তনে প্রতিবেশি দেশ ভারতের নগ্ন হস্তক্ষেপ একটি ওপেন সিক্রেট ব্যাপার। বিশেষ করে পছন্দের একটি দলকে ক্ষমতায় রাখতে এমন কোনো কাজ নেই তারা করেনি। সম্প্রতি প্রণব মুখার্জীর লেখা আত্মজীবনীতে তিনি তার অনেক কিছুই প্রকাশ করেছেন। মঈন-ফখরুদ্দিন সরকারকে তিনিই বিদায় করেছিলেন উল্লেখ করে প্রণব লিখেছেন, “তৎকালীন ভারতের জাতীয় উপদেষ্টা এম কে নারায়ণের মাধ্যমে আমার হস্তক্ষেপে আমি সব রাজনৈতিক বন্দীকে মুক্তি এবং দেশটির স্থিতিশীল পরিস্থিতিতে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করেছিলাম।” কিন্তু অনেকেই প্রণবের এই স্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রত্যাবর্তনকে আওয়ামী লীগের প্রত্যাবর্তন হিসেবেই দেখেন।